করোনাভাইরাস ও তবলিগি জামাত,ভুলভ্রান্তি কাদের কোথায় কতটা ও কেন

     তবলিগি জামাত ও তার কার্যক্রম সম্পর্কে যাঁরা অবগত তাঁরা নিশ্চয়ই জানেন—
১) এই জামাত প্রায় ১০০ বছর আগে (১৯২৭ সাল) থেকে কাজ করে আসছে। জামাতের সদস্যরা নিজেদের হালাল বা বৈধ উপার্জনের অর্থে বাড়ি থেকে বের হন এবং বিভিন্ন মুসলিম এলাকার মসজিদে মসজিদে গিয়ে সাধারণত একদিন করে থাকেন। উদ্দেশ্য, ভালো ভালো কিছু জিনিস শেখা, অন্যদের শেখানো এবং নিয়মিত অনুশীলনের মধ্য দিয়ে কিছু গুণ আয়ত্ত করা।
২) বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ২০০টি দেশে জামাতের আনাগোনা আছে। কোনও দেশের কোনও সরকারের বিরুদ্ধে এই জামাত কথা বলে না, কখনও কোনও সরকারের আইন বা নিয়মনীতিও ভঙ্গ করে না এবং রাজনৈতিক কথাবার্তা থেকে শতযোজন দূরে থাকে।
৩) তবলিগি জামাত মূলত কিছু ‘সৎ কাজের আদেশ’ করে, কিন্তু অসৎ কাজে বাধা দেয় না বা নিষেধ করে না, তাই এই জামাতের সঙ্গে কারও সংঘাত হয় না।
৪) এই জামাত মুসলিমদের ভালো মানুষ হওয়ার সাথে সাথে দুনিয়াকে গুরুত্ব না দিয়ে আখেরাতমুখী হওয়ার তালিম দেয় এবং কলেমা-নামাজ ও পবিত্র কুরআনের কিছু সূরা-কেরাত শেখানোর পাশাপাশি স্বভাবচরিত্র সংশোধনেরও তাকিদ করে থাকে।
৫) এই জামাত মানুষকে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের অনুসারী করার সঙ্গে সঙ্গে গভীর রাতের ‘কিয়ামুল লাইল’ বা তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ে অভ্যস্ত হতেও প্রাণিত করে।
৬) এই জামাতের সংস্পর্শে এসে বহু বিপথগামী মুসলিম সুপথের পথিক হয়েছেন।
৭) এই জামাতে নিরক্ষর থেকে শুরু করে অত্যন্ত উচ্চমানের সুশিক্ষিত ব্যক্তিবর্গও আছেন।
৮) একজন মুসলিম কীভাবে পাক-পবিত্র হবে, কীভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলবে ও লেনদেন করবে, কীভাবে খাবে, কীভাবে রাস্তা দিয়ে হাঁটবে, কীভাবে নিজের দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করবে, কীভাবে টয়লেট-বাথরুমে যাবে-আসবে, কীভাবে প্রস্রাব-পায়খানা করবে, এমনকি কীভাবে থুতু ফেলবে—তা-ও শেখানো হয়ে থাকে এই জামাতে।

এতসব আদব-কায়দা ও নিয়মনীতি যে জামাত শিখিয়ে চলেছে এবং যার কার্যক্রম চলে সারা বিশ্বজুড়ে, করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগের সময় তাঁদের আরও বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া দরকার ছিল, বিশেষ করে বর্তমান ভারতে। জামাতের কর্মকর্তাদের দরকার ছিল (আছেও) ডাক্তার জাকির নায়েকের থেকে শিক্ষা নেওয়ার এবং আরো বেশি সর্তকতা অবলম্বনের। কারণ, তাঁরা সংখ্যালঘু হওয়ার জন্য মামুলি কারণে বড়ো সমস্যায় পড়তে পারেন, সংখ্যাগুরুদের মতো ‘প্রিভিলেজ’ বা ‘পুরোপুরি ছাড়’ কিংবা ‘বাড়তি সুবিধা’ তাঁরা পাবেন না।

‘করোনাভাইরাস মহামারি’র প্রেক্ষাপটে ঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তবলিগি জামাতের ভুলগুলি হলো :
১) জামাতের আনাগোনা মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই বন্ধ করে না-দেওয়া, বিদেশি সদস্যদের নিজনিজ দেশে ফেরত না-পাঠানো এবং এদেশের সমস্ত ব্যক্তিকেও নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ না-দেওয়া। যেহেতু এই জামাত মারকাজ বা কেন্দ্রকে ভিত্তি করে সুশৃংখলভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, ফলে এগুলো করা কোনও কঠিন ব্যাপার ছিল না।

২) মার্চের ৪ তারিখে কা’বার ‘মাতাফ’-এ তাওয়াফ বন্ধ করিয়ে যখন স্যানিটাইজ করা হচ্ছিল, তখনও তবলিগি জামাত করোনা ভাইরাসের বিষয়ে সতর্ক হয়ে সারাবিশ্বে জামাতের আনাগোনা বন্ধ করে দেয়নি। ‘কাবা’ থেকে ‘বার্তা’ না নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়াটাও তাঁদের ভুল ছিল।

৩) মার্চের ৪ তারিখ থেকে বিমানযোগে আগত সকল যাত্রীদের ‘স্ক্রিনিং’ শুরু হয়, তাদের ‘ভ্রমণ বিবরণ’ নেওয়া হতে থাকে এবং দেশে প্রচার করা হতে থাকে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা। তখনও মারকাজের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি।

৪) এরপর ১৬ মার্চ সিবিএসসি বোর্ডের ও ১৯ মার্চ আইসিএসসি বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত হয়। তখনও মারকাজ পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করেনি। বোঝা উচিত ছিল, মারকাজের দায়িত্ব অনেক অনেক বেশি।

৫) মার্চের ১৬ তারিখে দিল্লি সরকার দিল্লির সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সিনেমা হল ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ করার আদেশ দেয়। তখনও মারকাজের সাবধান হয়ে সবাইকে নিজ নিজ দেশে ও বাড়িতে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ শুনিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। মারকাজ এটাও করেনি।

  এতগুলো সর্তকতার পরেও মারকাজ কর্তৃপক্ষ যদি সতর্ক না হন, তাহলে তাঁদের ভাষায়, ‘যা কিছু হয় আল্লাহর থেকেই হয়’ মেনে নেওয়া ছাড়া আর উপায় নেই এবং সারা বিশ্বজুড়ে চলমান জামাতের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যোগ্যতা ও দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

  মারকাজ ও তবলিগি জামাতেরই যে শুধু ভুল হয়েছে, তা নয়। এ ধরনের ভুল অনেক ব্যক্তি, সংস্থা ও সংগঠনের দ্বারাও হয়েছে, যার একটা দুটো নয়, অজস্র উদাহরণ আছে। এখনও দৃষ্টান্ত পাওয়া যাচ্ছে। যোগীর রামনবমী থেকে শুরু করে রাস্তায় নেমে তালি-ঘন্টা বাজানো, বাতি-মশাল জ্বালানো, বাজি-পটকা ফাটানো, বার্থডে পার্টি করা, সংসদ চালানো, মধ্যপ্রদেশে সরকার গঠন করা, সমস্ত তীর্থক্ষেত্র থেকে গুরুদুয়ারা পর্যন্ত অসংখ্য উদাহরণ বর্তমান। এগুলোর সবই ‘মারকাজের মতো’ কিংবা তার চেয়ে বড় ভুল হলেও এরা তো ‘বাড়তি সুবিধা’যুক্ত সংখ্যাগুরুর অন্তর্ভুক্ত।

 এত সব মানুষের ভুলের মানে এটা নয় যে বিজেপি সরকার কোনও ভুল করেনি। বরং, চিন্তাশীল মানুষদের মতে, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাজের ধরন ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ টাইপের। আগে থেকে সচেতন না করে, সময়-সুযোগ না দিয়ে, হঠাৎ করে বন্ধের আদেশ দেওয়াটা সঠিক পন্থা হতে পারে না। আচমকা রাত আটটায় এসে বারোটা থেকে বন্ধের ঘোষণা না দিয়ে, সরকার যদি ২—৪ দিন আগে ঘোষণা করত, তাহলে দেশে কারও দ্বারা এমন কোনও ভুল হতো না। হতো না মারকাজের দ্বারাও। ২২ মার্চে ‘জনতা কারফিউ’ ঘোষণা করার সময় যদি এটাও ঘোষণা করে দেওয়া হতো যে, ২৫ মার্চ থেকে ২১ দিন লকডাউন হতে চলেছে, আপনারা নিজেদের বাড়িতে বা এলাকায় চলে যেতে পারেন অথবা খাদ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা করে নিতে পারেন, তাহলেও এত বড় ভুল হতো না।
শুধু তাই নয়, সরকার যদি মারকাজের দাবি অনুসারে তাঁদের যানবাহনের পাস দেওয়ার ব্যবস্থা ২৪ মার্চেও করে দিত, তা হলেও এই ভুল হতো না। দুম করে লকডাউন ঘোষণা করে দিয়ে সরকার যদি ভাবে যে, দেড়/দু’হাজার লোক ২০০০ থেকে ৫০০০ কিলোমিটার দূরে নিজেদের বাড়িতে চলে যেতে পারবে, তাহলে এটাকে কী বলা যেতে পারে?

  ল্লেখ্যউ, নিজামউদ্দিন মারকাজের তবলিগের লােকজনকে লকডাউনের কারণে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি, অথচ ২৮ মার্চ হরিদ্বার থেকে ১৮০০ তীর্থযাত্রী আহমেদাবাদে অবলীলায় কয়েকটি লাক্সারি বাসে করে চলে এল। এক্ষেত্রে তো লকডাউন মানা হয়নি। ১২০০ কিলােমিটার পথ ১৮০০ মানুষ নিয়ে এতগুলো বাস নিশ্চয়ই উড়ে উড়ে চলে যায়নি, গিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপে। যাঁরা নিয়ম তৈরি করেছেন তাঁরাই ভেঙেছেন। ভুল সকলের দ্বারাই হয়েছে। কিন্তু নিশানায় শুধু তবলিগি জামাত ও মারকাজ-ই রয়েছে। শুধু তাই নয়, এই জামাতের বিরুদ্ধে ডাক্তার জাকির নায়েকের মতো পদক্ষেপও নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

সমস্যাটা তো করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে, কিন্তু নিজামুদ্দিন মারকাজের ক্ষেত্রে ডিডিসিএ থেকে শুরু করে ব্যাংক অ্যাকউন্ট তথা সমস্ত বইকেতাব ও কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে ! কিন্তু, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অন্য কোনও রোগী বা সংগঠনের সঙ্গে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। যেখানে প্রায় ত্রিশ হাজার লোক আইসোলেশনে আছেন, তাঁদের মধ্যে কারও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা আয়কর রিটার্ন চেক করা হয়েছে কি? বলা হচ্ছে কি কারও বাড়িঘর ভেঙে ফেলার কথা?

আরও আক্ষেপের বিষয়, সরকারের তরফে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মেরুকরণ করে
দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। যেমন : অমুক জায়গায় এতজন করোনার রোগী আছে, যাদের মধ্যে এতজন তবলিগি ! পুরো দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা এত, তাদের মধ্যে এত জন তবলিগি জামাতের সঙ্গ যুক্ত !

  কতটা নির্লজ্জ হয়ে গেছি আমরা যে, গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসকেও আমরা নিজেদের দেশে ধর্মীয় মেরুকরণ করে ফেলেছি ! স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিবৃতি দিচ্ছে, তবলিগি জামাতের কারণে ৪×১ দিনে করোনার রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে গেছে, না হলে ৭×৪ দিনে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হতো ! কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এটা বলছে না যে, ৭×৪ দিনে কারা সংখ্যাটাকে দ্বিগুণ করত? যারা করত, তাদের কি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আয়কর রিটার্ন চেক করা হবে? বাড়িঘর ভাঙা হবে? অন্য কোনও দেশে এমনটা হওয়ার কথা কেউ জেনেছেন কখনও? আমেরিকায় তো এ পর্যন্ত (১২ এপ্রিল) প্রায় ২২ হাজার লোক মারা গেছে, সেখানে এরকম কিছু শুনেছেন? ইতালি, জার্মানি তথা গোটা ইউরোপ তো দূরের কথা, কট্টর ইসলামবিরোধী চিনের কমিউনিস্ট সরকারও কি এরকম পরিসংখ্যান বের করেছে? এমন তথ্য দিয়েছে কি ‘হিন্দু বিরোধী’ পাকিস্তান পর্যন্ত?

 কৃষ্ণভক্ত সংগঠন ইসকন ঘোষণা করেছে, লন্ডনে তাদের এক অনুষ্ঠানে যে একহাজার লোক অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে এগারোজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কিন্তু কই, ব্রিটেনও তাদের আলাদা করে কোনও পরিসংখ্যান তো দেয়নি !

ভারতের সংখ্যালঘু সমাজ অবস্থান করছে এমন এক জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির ওপর, যাতে ইন্ধন যোগাচ্ছে সংবাদমাধ্যম। এই কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ইতিমধ্যেই ভারতকে করোনা ভাইরাস নিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে মেরুকরণ বন্ধ করার বার্তা দিয়েছে।

  তবলিগি জামাতের লোকেরাও তো রক্তমাংসের মানুষ-ই, তাঁরা তো আর মেশিন নন যে তাঁদের মধ্যে সংক্রমণ হওয়ার ব্যাপার থাকতে পারে না। তাঁরা সংক্রামিত হলে অন্যান্যদের মতো তাঁদেরও চিকিৎসা দেওয়া উচিত, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিনে রাখা উচিত। সরকার রেখেছে বটে কিন্তু হাওয়া বেশি ছড়িয়েছে। এ হাওয়া প্রভাতী বায়ুর মতো সুশীতল ও স্বাস্থ্যকর নয়, ভাগাড়ে মিডিয়ার পুঁতিগন্ধময় মিথ্যার হাওয়া। মারকাজ ও ধর্মনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করা হয়েছে। অথচ বোঝা উচিত যে, কোনও মানুষ জেনে বুঝে নিজের মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাসের আমন্ত্রণ জানাতে পারে না।

  যখন পাঁচ হাজার মানুষের সংক্রমণ হয়েছে, সেই সময় তাঁরাও সংক্রামিত হয়েছেন। কিন্তু আজকের ভারতে তাঁদের অপরাধ হলো এই যে, তাঁদের চেহারায় দাড়ি ও মাথায় টুপি থাকে, তাই তাঁদের দিকে সহজেই অভিযোগের বন্দুক তাক করা হয় এবং সরকারের ব্যর্থতা লুকোনো আসান হয়ে যায়।

  ভারতের সংখ্যালঘুদের খুব দ্রুত এটা উপলব্ধি করা উচিত যে, বর্তমান ভারতে যেসব বিষয়ে তাদের ওপর দেশদ্রোহিতার ধারা লাগানো হচ্ছে, তার চাইতে অনেক বড় বড় বিষয়ের ক্ষেত্রেও ‘বিশেষ সুবিধাধারী’দের ওপর একটা মামুলি এফআইআর পর্যন্ত দায়ের করা হয় না। সুতরাং সংখ্যালঘুদের চারকদম এগিয়ে যাওয়ার পর সতর্ক থাকার আবশ্যকতা আছে। দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ এমন সর্তকতা অবলম্বন করেনি। এটাই তাঁদের ভুল।

  সুতরাং, চিন্তাশীল মানুষদের পরামর্শ হল, তবলিগি জামাতের লোকেরা যেন মেহেরবানি করে জমিনের দু’গজ নিচে ও ‘সাত আসমানের’ উপরের জগতের সঙ্গে সঙ্গে এই দুনিয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করেন, এসবের হাত থেকে বাঁচার উপায় খোঁজেন এবং নিজেদের তবলিগের মাধ্যমে কওমকেও এ বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক করেন।

লেখকঃ মোহাম্মদ হাদীউজ্জামান, শিক্ষক ও কলামিস্ট 

তথ্য সহায়তা : মুহাম্মদ জাহিদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here